11)
ভেবেছিলাম হয়তো বা পরীক্ষা হলো শেষ!
কিন্তু ভাবা আর ঘটা, দুটো যে এক জিনিস নয়!
মাঝে মাঝে বুঝতে পারি, শরীরের উপর অযথা নির্যাতন করে ঠিক কি প্রমাণ করতে চাইছি!
হয়তো আমি ভুল!
বা আমার পরীক্ষা প্রস্তুতি কেউ বুঝতে পারেনি!
তার উপর, আমি কত বড়ো বোকা দেখ, যে,
কেউ বুঝতে পারেনি জানার পরেও, আবার বোঝানোর চেষ্টা করছি!
এই জন্যই তো আমায় মহাভারত থেকে উদাহরণ টেনে বোঝাতে হয়।
ঠিক আছে, মহাভারতের কথা বুঝতে না পারলে,
একেবারে বাস্তব থেকে বোঝাচ্ছি।
ধরো,
বোলোনা যেন, কেন ধরবো!
আমি হলাম গিয়ে X, আর তোমাকে যদি Y ধরি,
তাহলে, আমি যদি একবার তোমার পরে দাঁড়াই,
তো YX লিখবো, আর আগে দাঁড়ালে, XY লিখবো।
এবারে তুমি যেমন ভাবে সাজাবে।
আসলে ঠিক ঠাক বোঝানোর পরীক্ষায়,
ভুল করে, বারবার ফেল করতে করতে,
এবার না ফেল করতেই ভুলে যাই!
★★★★★
12)
একেবারে শুরুর দিকে, তখন সবেমাত্র পড়ার পাঠে বদল এসেছে। হাতে তখন প্রচুর টিউশন! কিন্তু টিউশনে যে মন বসে না!
দেখতে দেখতে তিনরাব সরকার গঠন করল। তবুও তাতে ভুল!
আর ভুল বলে ভুল!
এরটাকে টেনে নিয়ে ও বসিয়ে নিয়েছে।
হ্যাঁ, হ্যাঁ, ওইটাই, ব এর নিচে ডট বসিয়ে, আর র এর জন্য নেই!
যাইহোক, ভুল নিয়ে পড়ে না থেকে, আসল কথায় এসো, নাহলে দুবছরেও শিখতে পারবে না!
আর শুধু শুধু আমার দোষ হবে, নন্দকাকুর মতো!
বেশ ভালোই চলছিল! শুধু চানক্য একটু বিগড়েছিল!
ডটও যে যেখানে সেখানে দিতে নেই!
তবে চানক্যর সাথে কখনও কাকুর তুলনা করতে যেও না যেন!
চানক্যর মধ্যে যতই ভুল থাক, তবুও সে চানক্য। শুধু নামই যথেষ্ট! এটা কজনে বোঝে!
মাঝে মাঝে শুধু কুন্তল টাকে হাত বোলায়! এটা অবশ্য কুন্তলের হাতের ভুল নয়!
সব টেকোরাই টাকে হাত বুলায়! এখানে আবার বুঝতে পারার জন্য নিজের বড়াই কোরো না, সবাই নিজেরটা বোঝে!
তাহলে ভুল শুধু ভুলমণ্ডলেই থাকলো!!!!
★★★★★
13)
যখন রাতে বাড়িতে ফিরলাম,
আমার চোখগুলো তখন ভীষণ ব্যাথায় ছিল!
শরীরও বইছিল না!
সারারাত শুধু জেগে জেগে ভুলমণ্ডলে ঘুরে বেড়ালাম!
অনেককেই ভুলমণ্ডলে আনাগোনা করতে দেখলাম।
আমি কি কাউকে খুঁজছি?
অথবা অন্য কিছু, যা বোঝাতে চাইছি না!
কিন্তু ভুলমণ্ডলের ব্যাপ্তি এতো বিশাল,
আমার চাওয়া, না চাওয়ার মধ্যে কোনো তফাৎই সেখানে দেখা যায় না।
শেষ রাতে, চানক্যর ভুল খুঁজে পেলাম!
পথ চলতে চলতে, কোনো দাবী পেশ করা হলে, শিশু শৈলও যে বুকে আগুন জ্বালাতে পারে,
সব্যসাচী হয়ে উঠতে পারে। সেখানে পায়ে লেগে থাকা ধূলো দেখে কি শার্লক হোমস জায়গার হদিস বলতে পারবে?
ব্যাথা যে চোখ ছেড়ে মাথার দখল নিয়েছে!
কবে, কোথায় পড়েছিলাম ঠিক মনে নেই, তবে মহাশূন্য যেমন দেখতে, ঠিক তেমন জায়গাই যেন চাইছিলাম!
পরীক্ষার ফলাফল যাইহোক,
আমার আবার রাতের বদ অভ্যাস আছে!!!!
রাত যদিও নেই, তবু এখনও বিছানাতেই আছি!
★★★★★
14)
মাঝে মাঝে ভাবি, সব বদ অভ্যাস, সবাইকে বলে দিতে নেই!
একে বিছানা, তার উপর আবার রাত!
সঙ্গে সংযোজন, বদ অভ্যাস!
আবার ভাবি কেও মাঝে মাঝে দেখতে পাওয়া যায়!
এরপর আর এগিয়ে যেতে, "মানা" কই!
থাক, বা না থাক,
না ভেবে,
যেমন থাকুক, বা যেথায় থাকুক,
অতীতে থাকুক, বা ভবিষ্যতে থাকুক,
বর্তমানে আড়ালে থাকুক, বা
ভুলমণ্ডলের ঘোরে থাকুক,
চানক্য যখন বলেছে,
তখন অবশ্যই মানা'র সাড়া দেওয়া উচিত!!!!
হায় রে,
এ যে ভুলমণ্ডল!
যখন মাথার মধ্যে ঢুকে গেছে, তখন চানক্যর সাধ্য কি,
ভুল ভাঙিয়ে দেয়!
যাইহোক, ব্যাথাও শেষ পর্যন্ত সহ্যের কাছে পরাজয় মেনে নিয়েছে! শুধু চানক্যর কথাই কেউ মানেনি!
তাই তো, শুকনো মুড়ি! বাসের সিট! বর্ষায় ছাতা!আইসক্রিম!
মেনুটা মন্দ নয়!!!!
★★★★★
15)
আজকে যখন লিখছি, তখন এটা নিয়ে নিশ্চিন্তে থাকা যায় যে,
কুন্তল অন্তত একঘণ্টা পরে ফোন হাতে নেবে!
তাই ওকে পাঠানো পুরানো ছবিগুলো এখনি দেখছে না। তাই সব গল্পে এখনই ব্যোমকেশ হয়ে উঠবে না!
যুক্তি বিহীন শাস্ত্র মানতে মানতে, তেতো বোঁদেও তো আমরা খাই!
আবার গরমে ভাঙা হাতের ব্যাথাও ভুলে থাকা যায়!
মেনু বিশ্লেষণের পরীক্ষায়, হয়তো ঝগড়া থাকতে পারে! তবে যত বেশী ঝগড়া,
তত বেশীই তো পাশে পাওয়া!
এটিকে কতজনকে বোঝাতে পারলাম!
সেই ঘরে তো বেশী কেউ ছিল না!!!!
সবকিছু সবাইকে বললেই যে বুঝতে পারবে, তাও তো নয়!
বা সবার তো একই খাদ্যকে সুখাদ্য মনে নাও হতে পারে!
কারোর কাছে বিফ ভালো হতেই পারে, তো কারোর আবার নাম শুনেই বমি আসে!
আমি তো সর্বভুক!
খাবার সময় যে খেতে হয়, মাঝে মাঝে ভুলে যাই শুধু!
তাই হয়তো সবাই বলে,
পুরানো ছবির পরিবর্তন হয় না!
ছবি যে কত সুন্দর গল্প বলে।
কুন্তলের ভুলের অপেক্ষায় থাকা!
জানি কুন্তল পড়লে,
রাগ করার আগে, ফোনটা করতো!
অর্থাৎ, না পড়া, এবং ফোন না করা, আসলে সমার্থক!
যত ভুল শুধু ভুলমণ্ডলে!
No comments:
Post a Comment